google-site-verification=0gYvQ-GEf6xx7n9m8L4kBORRnazBWwqZSSilspQTR5w
ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে নিখোঁজ ছাত্রী ও মায়ের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 16, 2026 ইং
কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে নিখোঁজ ছাত্রী ও মায়ের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার ছবির ক্যাপশন: কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে নিখোঁজ ছাত্রী ও মায়ের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
ad728

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক শিক্ষিকার বাসা থেকে নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রী ও তার মায়ের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা, তাঁর স্বামীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

নিহতরা হলেন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জোবাইদা রহমান ওরফে ফাতেমা (১৪) এবং তাঁর মা রোকেয়া রহমান (৩২)। আটক ব্যক্তিরা হলেন গৃহশিক্ষিকা মীম বেগম (২৪), তাঁর স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮), মীমের বড় বোন নুরজাহান বেগম (৩০) এবং এক কিশোরী (১৫)।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকার একটি দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। রোকেয়া রহমানের মরদেহ পাওয়া যায় শিক্ষিকা মীমের শোবার ঘরের খাটের নিচে এবং শিক্ষার্থী ফাতেমার লাশ উদ্ধার করা হয় ফ্ল্যাটের বাথরুমের ফলস ছাদ থেকে। পরে লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ফাতেমা গৃহশিক্ষিকা মীম বেগমের কাছে প্রাইভেট পড়তে ওই বাসায় যায়। সন্ধ্যার দিকে পড়া শেষ করে সে বাসা থেকে বের হয় বলে জানানো হলেও ওই সময় থেকেই ফাতেমা ও তার মা নিখোঁজ হন। দীর্ঘ সময় তাঁদের কোনো সন্ধান না পেয়ে ২৬ ডিসেম্বর ফাতেমার বাবা শাহীন আহম্মেদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়।

এলাকাবাসী জানান, কয়েক দিন ধরে ওই এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে তাঁরা মীম বেগমের ফ্ল্যাটের সামনে পৌঁছান। দরজা না খোলায় জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

নিহত রোকেয়া রহমানের ভাই জাহিদ হোসেন অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই তাঁরা গৃহশিক্ষিকা মীমকে সন্দেহ করেছিলেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানালেও তখন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, নিহত মা ও মেয়ের গলায় থাকা সোনার চেইনের লোভেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষিকা মীম বেগম ও তাঁর বোন নুরজাহান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jatio Khobor

কমেন্ট বক্স
বিএনপি নির্বাচন ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মি

বিএনপি নির্বাচন ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মি