google-site-verification=0gYvQ-GEf6xx7n9m8L4kBORRnazBWwqZSSilspQTR5w
ঢাকা | বঙ্গাব্দ

দুবাইয়ে বুর্জ খলিফাসহ তিন ফ্ল্যাট, সম্পদ ও ঋণ বেড়েছে বহুগুণ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 4, 2026 ইং
দুবাইয়ে বুর্জ খলিফাসহ তিন ফ্ল্যাট, সম্পদ ও ঋণ বেড়েছে বহুগুণ ছবির ক্যাপশন: দুবাইয়ে বুর্জ খলিফাসহ তিন ফ্ল্যাট, সম্পদ ও ঋণ বেড়েছে বহুগুণ
ad728

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা, পাম জুমেইরাহ ও মারসা এলাকায় তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান। একই সঙ্গে গত সাত বছরে তাঁর নগদ অর্থ বেড়েছে ২৭ গুণের বেশি এবং ব্যাংকঋণ বেড়েছে প্রায় ২২ গুণ। তবে এই সময়ে তাঁর বার্ষিক আয় কমেছে প্রায় পৌনে চার গুণ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামার সঙ্গে একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা তুলনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। হলফনামা অনুযায়ী, সম্পদ ও ঋণ বাড়লেও আয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুজ্জামান এর আগে নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। তিনি একসময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন, পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। একই বছরে আওয়ামী লীগে যোগ দিলেও জেলা কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পাওয়ার পর তা থেকে পদত্যাগের দাবি করেছেন তিনি।

হলফনামা অনুযায়ী, ৬৯ বছর বয়সী একরামুজ্জামান এইচএসসি পাস, পেশায় ব্যবসায়ী। ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য তিনি প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে সাতটি মামলা হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।

তিনটি নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে তাঁর বার্ষিক আয় ৪ কোটি ৪৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাড়িভাড়া থেকে আয় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ব্যবসা থেকে আয় ৬৩ লাখ টাকার কিছু বেশি। অথচ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তাঁর বার্ষিক আয় ছিল প্রায় ৫৪ কোটি টাকা এবং ২০১৮ সালে ছিল প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

২০২৫–২৬ অর্থবছরে একরামুজ্জামান আয়কর দিয়েছেন ৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং আয়কর রিটার্নে মোট সম্পদ দেখিয়েছেন ২৬৫ কোটি টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ ও আয়কর প্রদানের তথ্য রয়েছে।

গত সাত বছরে তাঁর অস্থাবর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২২ কোটি টাকায়। এর মধ্যে শেয়ার বিনিয়োগ, ব্যাংকে জমা অর্থ, নগদ টাকা ও অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। স্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষিজমি, অকৃষিজমি, ভবন ও আবাসিক বাড়ি অন্তর্ভুক্ত।

দুবাইয়ের পাম জুমেইরাহ, মারসা ও বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফায় থাকা তিনটি ফ্ল্যাটের তথ্য আগের দুটি নির্বাচনের হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। এসব ফ্ল্যাটের মোট মূল্য কয়েক কোটি টাকা।

বর্তমানে একরামুজ্জামানের নিজ নামে, স্ত্রী ও সন্তানদের নামে মোট দায় দেখানো হয়েছে ২৩৪ কোটির বেশি টাকা। সাত বছরের ব্যবধানে তাঁর ব্যাংকঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৯২১ কোটি টাকায়, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, আসন্ন নির্বাচনে নিজের ব্যবসা থেকে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jatio Khobor

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মামলার রায় ঘোষণা আগামী ১৩ নভেম্বর।

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মামলার রায় ঘোষণা আগামী ১৩ নভেম্বর।